• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৯, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন



কোটার বিষয়ে স্ট্যাটাস দেয়াতে: চবির ২ শিক্ষককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ছাত্রলীগ

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই, ২০১৮
  • ১০১ বার পঠিত
কোটার বিষয়ে স্ট্যাটাস দেয়াতে: চবির ২ শিক্ষককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ছাত্রলীগ
কোটার বিষয়ে স্ট্যাটাস দেয়াতে: চবির ২ শিক্ষককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করল ছাত্রলীগ

এবার চবির ২ শিক্ষক এর ব্যাপারে কোটা সংস্কার আন্দোলনে উস্কানি ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগে এনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) দুই শিক্ষককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে চবি ছাত্রলীগ। ওই দুই শিক্ষক হলেন- সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম ও যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খ আলী আর রাজী।

 

মঙ্গলবার দুপুরে ওই দুই শিক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার পর অভিযুক্ত দুই শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার দাবিতে চবি উপাচার্যকে স্মারকলিপিও দিয়েছে চবি ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। স্মারকলিপির গ্রহণের বিষয়ে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘ছাত্রলীগের ছেলেরা স্মারকলিপি দিতে এসেছিল। সেটি গ্রহণ করতে বলেছি তবে ব্যস্ততা থাকার কারনেতা পড়ার সুযোগ হয়নি। আগামীকাল বিষয়টি দেখব।’

 

উপাচার্যকে দেয়া ছাত্রলীগের স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয় যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে সমাজতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাইদুল ইসলাম তার ফেসবুক একাউন্টে কটূক্তি করেছেন। কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে দেশব্যাপী জামায়াত-শিবির ও বিএনপির যৌথ নীল নকশার অংশ হিসেবে শিক্ষক নামধারী জামায়াত-শিবিরের তাবেদার মাইদুল ইসলাম ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস দিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদেরও উস্কিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অস্থিতীশীল করার পাঁয়তারা চালিয়ে জাচ্ছেন। তার এহেন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিভাগীয় সভাপতির কাছে নালিশও দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিশেষ সার্কুলারের মাধ্যমে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের অভিযোগ তোলা হয় তার বিরুদ্ধে।

 

এদিকে একই স্মারকলিপিতে যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খ. আলী আর রাজী তার ফেসবুক পোস্টে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদের সুকৌশলে সহিংসতার মাধ্যমে লন্ডভন্ড করে দেয়ার উস্কানি দেয়ার অভিযোগ আনা হয় । তাকে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের মূল এজেন্ট উল্লেখ করে বলা হয়, তিনি ছাত্রদের তার কক্ষে ডেকে নিয়ে গিয়ে নিয়মিত সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রমূলক দিক নির্দেশনা থাকেন। পাশাপাশি বিভাগীয় সভাপতি থাকাকালে তার নানা অনিয়ম ও অনৈতিকতার বিষয়ও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়।

 

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..