• E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:১৩ অপরাহ্ন



”চাইর বার ভুট দিয়া কিচ্ছু ফাইলাম না”

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩০ জুলাই, ২০১৮
  • ১৬১ বার পঠিত
''চাইর বার ভুট দিয়া কিচ্ছু ফাইলাম না''
''চাইর বার ভুট দিয়া কিচ্ছু ফাইলাম না''

‌‌”দুঃখের খতা কিতা খইতাম রে ভাই- এই বার লইয়া চাইর বার ভুট দিয়া মেয়র ফাস করাইলাম, কিন্তু কিচ্ছু ফাইলাম না। কোনো সময় আওয়ামী লীগের নেতা আবার কোনো সময় বিএনপির নেতারে ভোট দিই। কিন্তু ইলেকশন ছইল্লা যাওয়ার পরে কেউ আমরার খতা শুনে না; মনে রাখে না। তারপরও বুঝলাম ভোটটা নষ্ট কইরা লাভ নাই, বিধায় দিতে আইছি।”

সোমবার দুপুর ১২টায় সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খাস দবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে এক বুক দুঃখ প্রকাশ করেন ডেন্ডু মিয়া নামে এক নির্মাণ শ্রমিক। তিনি সিলেট বন্দর বি-২০ নম্বর এলাকার আব্দুল হোসেনের ছেলে।

ডেন্ডু মিয়ার পরিবারে স্ত্রীসহ দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একার রোজগারের এই সংসারে সদস্য সংখ্যা পাঁচজন। একার হাতেই সব চলে।

দীর্ঘশ্বাস ফেলে ডেন্ডু মিয়া বলেন, বিগত প্রায় ১৫ বছর ধরে আমি বিভিন্ন সময়ে সাহায্যের জন্য নির্বাচিত মেয়র এবং কাউন্সিলরদের শরণাপন্ন হলেও কেউ আমাকে পাত্তা দেননি। এমনকি আমার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া রিপা আক্তার এবং ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালানোর ব্যাপারে তাদের কাছে সাহায্যের জন্য গেলে আমাকে তাড়িয়ে দেওয় হয়।

ডেন্ডু আক্ষেপ করে আরও বলেন, অনেক বার স্থানীয় কাউন্সিলরের কাছে সাহায্যের জন্য গিয়েও কোনো ফল মিলেনি। একপর্যায়ে আমি মেয়রের বাসায় যাওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে মেয়রের অফিস বা বাসার গেট থেকেই তাড়িয়ে দেওয়া হয় আমাকে।

ডেন্ডু মিয়া হাসতে হাসতে বলেন, ভোট দিয়ে কোনো ফল মিলেনি তাতে কি হয়ছে, আমার ভোটের দাম আছে। তাই আমি সবসময় ভোট দিই।

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..