• E-paper
  • English Version
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৯, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন



স্বামীর প্রতি করণীয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর বাণী

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮
  • ২৩৫ বার পঠিত
স্বামীর প্রতি করণীয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর বাণী
স্বামীর প্রতি করণীয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ (সঃ) এর বাণী

সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ট নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। দুনিয়াতে যারা তাঁর দেখানো পথে চলবে, পরকালে তারাই জান্নাতে যাবে। তারাই জাহান্নাম থেকে মুক্তি  পাবে। আমরা তাঁর উম্মত বা অনুসারী দল। আমরা তাঁর দেখানো পথে চলি। সঠিক পথ  পাবার জন্যে তিনি আমাদের কাছে দুটি জিনিস রেখে গেছেন। একটি হলো আল্লাহর
কুরআন। আর অপরটি হলো তাঁর সুন্নত বা সুন্নাহ।

পার্থিব জীবনের সবচেয়ে মহামূল্যবান ব্যাক্তিরটি হলো স্বামী-স্ত্রী। আর এদের সম্পর্কটাও  সর্বোত্তম সেরা। তাই নবীজী (সঃ) স্বামীদের প্রতি স্ত্রীর বেশ কিছু করনীয় বানী বর্ননা করে গেছেন যা অতি অত্যাবশকীয়। এর মূল্য অভাবনীয়।

স্বামী-স্ত্রী। পৃথিবীর সবচেয়ে আপন এবং মধুর একটি সম্পর্কের বন্ধন। পবিত্র কোরানে আল্লাহ মহান স্বামী-স্ত্রীর একজনকে অপরজনের পোশাক বলেছেন। একজনকে অপরজনের সম্পূরক বানিয়েছেন। সৃষ্টিগত কৌশলতায় একজনকে করেছেন অপরজনের সহায়ক। মধুর এই সম্পর্ককে আরো ফলপ্রসূ করার জন্য আল্লাহ মহান কিছু বিধান অনুসরণ করার তাগিদ দিয়েছেন। স্বামীর ওপর স্ত্রীর এবং স্ত্রীর ওপর স্বামীর কিছু অধিকার বা হক নির্ধারণ করে দিয়েছেন তিনি। এককভাবে স্বামী কিংবা স্ত্রীর প্রচেষ্টায় একটি সংসারে কখনো সুখ আসতে পারে না। সংসারের সুখের জন্য উভয়ের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন। স্ত্রীর ওপর স্বামীর কিছু হক বা অধিকার রয়েছে। ইসলামী বিধান মোতাবেক স্ত্রীর ওপর অর্পিত এই হক বা অধিকারগুলো আদায় করা আবশ্যক। ইসলামী শরিয়ার পরিভাষায় যাকে ওয়াজিব বলা হয়।

মহানবী (সঃ) এর অমূল্য বাণীগুলো হলঃ

রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেন, নারীরা গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মদানের দুঃখ কস্ট সহ্য করতে পারে এবং সন্তানদের অতি আদর যত্নে লালন-পালন করে। যদি তারা স্বামীদের সঙ্গে কঠোর আচরণ ও দুব্যবহার না করে, তবে তাদের মধ্যে নামাযী নারীরা অবশ্যই জান্নাতে প্রবেশ করবে। ( কাযবীনী)

অপর একটি হাদিসে স্বামীদের প্রতি স্ত্রীর করণীয়তা সম্পর্কে খুশির সংবাদ হিসাবে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেছেন, আমি যদি কাউকে অন্য কারো প্রতি সেজদা করার নির্দেশ দিতাম তাহলে নারীদেরকে স্বামীরপ্রতি সেজদা করার নির্দেশ দিতাম। (জামি তিরমিযি)

অন্য একটি হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেছেন, নারীরা স্বামীদের উপস্থিতীতে তাদের অনুমতি ছাড়া নফল রোযা রাখবে না। (সুনানে আবু দাউদ)

রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেছেন, নারীকে যখন তার স্বামী নিজ প্রয়োজনে কাছে ডাকে , তখন সে চুলার কাজে ব্যস্ত থাকলেও সে যেন তৎক্ষনাৎ তার ডাকে সারা দেয়। ( জামি তিরমিযি)

রাসূলুল্লাহ (সঃ) ইরশাদ করেন, ওই নারীকে আল্লাহ দয়ার দৃষ্টিতে দেখেন না- যে তার স্বামীর প্রতি অকৃতজ্ঞ। অথচ সর্বদা সে তার প্রতি মুখোপেক্ষি। ( সুনানে নাসায়ী)

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..