• E-paper
  • English Version
  • সোমবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৬:১৬ অপরাহ্ন



১১ মাস পর মুক্তি পেলেন খালেদ বিন তালাল

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১৯ বার পঠিত
১১ মাস পর মুক্তি পেলেন খালেদ বিন তালাল
১১ মাস পর মুক্তি পেলেন খালেদ বিন তালাল

সৌদি আরবের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সমালোচনা করে ১১ মাস আটক থাকার পর এক যুবরাজ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন। রবিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুবরাজ খালেদ বিন তালালের সঙ্গে তার পরিবারের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করেছেন তাদের আত্মীয়রা। ছবিগুলো গত সপ্তাহের শেষের দিকে পোস্ট করা।

গত বছরের নভেম্বরে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে কথিত দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে বেশ কয়েক ডজন যুবরাজ, মন্ত্রী ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের আটক করে বিলাসবহুল পাঁচ তারকা হোটেল রিটজ কার্লটনসহ বিভিন্ন হোটেলে আটকে রাখা হয়।

যুবরাজ খালেদ প্রায় এক বছর ধরে আটক ছিলেন। তিনি সৌদি বাদশা সালমানের ভাতিজা। দুর্নীতির অভিযোগে আটক কয়েক ডজন বন্দির মধ্যে যুবরাজ খালেদ বিন তালালের ভাই সৌদি আরবের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালালও ছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে মুক্তি পান ধনকুবের প্রিন্স আল-ওয়ালিদ বিন তালাল।

সৌদি সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশে হত্যা করা হয়েছে- এমন চাপের মুখেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চলমান সঙ্কট নিরসনে সৌদি রাজপরিবারের প্রতি সমর্থন বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি সরকার।

যুবরাজ খালেদের ভাতিজি রাজকুমারী রিম বিন্ত আল ওয়ালিদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তার ছবি পোস্ট করে বলেছেন, ‘আপনার নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’

অন্যান্য আত্মীয়দের পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, যুবরাজ খালেদ তার পুত্রকে চুমু খাচ্ছেন এবং তার সঙ্গে আলিঙ্গন করছেন। বেশ কয়েক বছর ধরেই তার এই সন্তান কোমাতে রয়েছেন।

যুবরাজ খালেদকে কি কারণে আটক করা হয়েছিল এবং কেনই বা তাকে মুক্তি দেয়া হলো- এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি সৌদি কর্তৃপক্ষ।

তবে মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর দুশো’র বেশি যুবরাজ, মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের গণহারে আটকের সমালোচনা করেছিলেন যুবরাজ খালেদ। এই কারণেই তাকে ১১ মাস আটক রাখা হয়। তাদের রিয়াদের পাঁচ তারকা হোটেল রিটজ কার্লটনসহ বিভিন্ন হোটেলে আটক রাখা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্যই যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এই অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..