• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:৫৫ অপরাহ্ন



নির্বাচনের আগেই হেরে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট : ওবায়দুল কাদের

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৪১ বার পঠিত
নির্বাচনের আগেই হেরে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট : ওবায়দুল কাদের
নির্বাচনের আগেই হেরে যাচ্ছে ঐক্যফ্রন্ট : ওবায়দুল কাদের

ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনের আগেই তাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শন করতে ব্যর্থ হয়ে নির্বাচনে হেরে যাচ্ছে। তাদের পরাজয়ের আগাম ইঙ্গিত তাদের প্রধানমন্ত্রী পদে কোনো লোক না থাকা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একথা বলেছেন।

রবিবার সকালে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

‘নির্বাচনের মধ্যেও বিএনপি আন্দোলন কর্মসূচি দিতে চাইছে’ এমন বিষয়ে এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা বারবার একই কথা বলছি, যারা নির্বাচনের এক মাস আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিবর্তন চায়, তারা নির্বাচন থেকে সরে যেতে চায়।’

এসময় ড. কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা, কিন্তু মাথা নন এমন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপিও ইঙ্গিত দিয়েছিল ড. কামাল হোসেন সাহেব ঐক্যফ্রন্টের নেতা। কিন্তু কামাল হোসেন সাহেব তো আর দৃশ্যপটে নেই, তিনি ইলেকশন করছেন না। তারা মাথা ছাড়া নির্বাচন করছে। একজনকে ঘিরেই যে কোনো দেশেই নির্বাচন আবর্তীত হয়। সেটা হলো যিনি দলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, এখানেই তো তাদের ফলাফল হয়ে গেছে। তাদের কোনো নেতৃত্ব নেই।’

রাজনৈতিক দৃশ্যপটের কোনো পরিবর্তন আসতে পারে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনটা হবে। তবে আগামী নির্বাচনে কারা জিতবে সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্কার হবে।’

‘নির্বাচনের মধ্যেও বিএনপি আন্দোলন কর্মসূচি দিতে চাইছে’ এমন বিষয়ে এক প্রশ্নে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা বারবার একই কথা বলছি, যারা নির্বাচনের এক মাস আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পরিবর্তন চায়, তারা নির্বাচন থেকে সরে যেতে চায়।’

এসময় ড. কামাল হোসেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা, কিন্তু মাথা নন এমন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপিও ইঙ্গিত দিয়েছিল ড. কামাল হোসেন সাহেব ঐক্যফ্রন্টের নেতা। কিন্তু কামাল হোসেন সাহেব তো আর দৃশ্যপটে নেই, তিনি ইলেকশন করছেন না। তারা মাথা ছাড়া নির্বাচন করছে। একজনকে ঘিরেই যে কোনো দেশেই নির্বাচন আবর্তীত হয়। সেটা হলো যিনি দলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হবেন, এখানেই তো তাদের ফলাফল হয়ে গেছে। তাদের কোনো নেতৃত্ব নেই।’

রাজনৈতিক দৃশ্যপটের কোনো পরিবর্তন আসতে পারে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনটা হবে। তবে আগামী নির্বাচনে কারা জিতবে সেটা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্কার হবে।’

ইসিতে বিএনপির গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে কোথাও কোনো খারাপ আভাস নেই। এই সিটিতে কোথাও কোনো ভায়োলেন্স হয়েছে? ইন্টারনাল ম্যাটার নিয়ে, ক্ষোভ-দুঃখ নিয়ে ছিটেফোটা সমস্যা কিছু কিছু জায়গায় হয়েছে, কিন্তু নির্বাচনের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

মনোনয়ন নিয়ে এবার অন্যান্য বারের মতো নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া অনেক কমে যাবে উল্লেখ করে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তবে শেষ পর্যন্ত যারা প্রত্যাহার করবে না, তাদের ক্ষেত্রে আমাদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে বহিষ্কার। যে জোর করবে তার বিরুদ্ধেই এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এখনও আওয়ামী লীগের অনেক প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন, এলাকায় কাজ করতে পারছেন না, এটা কিভাবে দেখছেন জানতে চাইলে দলের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘মনোয়য়ন তো ঢাকায় হবে, কাজেই যারা প্রার্থী তাদেরকে ঢাকায়ই থাকতে হবে। তবে এই মুহূর্তে ঢাকা আছেন এমন প্রার্থীর সংখ্যা বেশী নেই।’

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছায়ের শেষ দিন দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন কেমন হবে এমন অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যাদের মনোনয়ন নিশ্চিত তারা দল থেকে তেমন ইঙ্গিত পেয়েছেন। আমরা দলীয় ভাবে কিছু কিছু ইঙ্গিত তো দিয়েছি। তারা এলাকায় রয়েছেন, কাজ করছেন। জোট ছাড়া প্রার্থী এমন অনেকেই আছেন তাদের কিন্তু আমরা ইঙ্গিত, ইশারা দিয়েছি।’

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..