• E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৫:০৯ অপরাহ্ন



বাতিল হলো মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ২৩ বার পঠিত
বাতিল হলো মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র
বাতিল হলো মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটানিং কর্মকর্তা।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তার মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তা বাতিলের ঘোষণা দেয়া হয়। মির্জা আব্বাস ঢাকা-৯ আসনে নির্বাচন করতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।
এর আগে মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ। একই সঙ্গে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসির আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন আদালত।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে মির্জা আব্বাসের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। তার সাথে ছিলেন ব্যারিস্টার একেএমন এহসানুর রহমান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

এর আগে মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশনে থাকা ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার মনোনয়নপত্র বাছাই সম্পন্ন করতে বলা হয়।

পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঢাকা-৯ আসন থেকে মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র গ্রহণ না করা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে না পাঠিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে রেখে দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়।

চার সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, যুগ্ম সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২ অধিশাখা) ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। মঙ্গলবার মির্জা আব্বাসের করা আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।

গত ২৮ নভেম্বর ঢাকা-৯ আসন থেকে চেষ্টা করেও মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেননি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। ১ ডিসেম্বর এটি নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দেয়া হয়। এরপর নিয়ম অনুযায়ী ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্রটি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানোর কথা থাকলেও তা করা হয়নি। ফলে ওই মনোনয়নপত্রের যাচাই-বাছাই সম্পন্নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের রিট করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ নভেম্বর নির্ধারিত সময়ের পর ঢাকা-৯ আসনে মির্জা আব্বাসের পক্ষে তার সমর্থকরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান। কিন্তু তা নিতে অস্বীকার করা হয়। সমর্থকদের অভিযোগ, মির্জা আব্বাসের ছবি দেখেই শেষদিনে মনোনয়নপত্র জমা নিতে গড়িমসি করেন রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা। তবে, নির্বাচনী কর্মকর্তারা দাবি করেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসায় তা জমা নেয়া সম্ভব হয়নি।

ঢাকা-৯ আসন থেকে মির্জা আব্বাসের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দিতে আসেন তার সমর্থকরা। তাদের দাবি, বিকেল সাড়ে ৪টায় তারা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এসে হাজির হন। কাগজপত্র তৈরি করতে কিছুটা সময় লেগেছে। কিন্তু, ইচ্ছাকৃতভাবে তার মনোনয়নপত্র জমা নেয়া হয়নি।

এ বিষয়ে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের দাবি, যারা মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় বিকেল ৫টার মধ্যে অফিস কম্পাউন্ডে ছিলেন, তাদেরগুলো নেওয়া হয়েছে। মির্জা আব্বাসের মনোনয়নপত্র নিয়ে তার সমর্থকরা সময় শেষ হওয়ার পর আসায়, তা নেয়া সম্ভব হয়নি। পরে গত ১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন মির্জা আব্বাস।

Facebook Comments



নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..